1. admin@dailyajkerdurnity.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ডিবির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চুরি ও ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ; অনুসন্ধানে মিলল ভিন্ন চিত্র এক আলোকিত জনপ্রতিনিধি-গোপদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শরফুদ্দীন ভূঁইয়া সবুজ ফিরে পেলো আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স কিশোরগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলা, আহত ১ সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী মায়ের দান করা স্কুলে সভাপতি নির্বাচিত ছেলে খায়রুল আলম খান,পিএসসি বৃত্তিতে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ উত্তর গোপদীঘি সপ্রাবি গোপদিঘীর সেই সন্ধ্যা –কবি খাইরুল আলম খান উদ্ধার অভিযানে গিয়ে নিজের সন্তানের লাশ পেলেন পুলিশ সদস্য যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার : ডা. জাহেদ

কেরানীগঞ্জে মায়ের সম্পত্তি আত্মাসাত মেয়ের ও মা রিজিয়া বেগমের মানবাধিকারে আইনী সহায়তার অভিযোগ 

আজকের দুর্নীতি ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৪৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অধীন খোলা মোড়া গ্রামে ঘটেছে এক চাঞ্চল্যকর প্রতারণার অভিযোগ।বৃদ্ধা রিজিয়া বেগম (৬০) তার নিজের মেয়েদের বিরুদ্ধে সম্পত্তি আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ এনে আইনী সহায়তার আবেদন করেছেন হিউম্যান রাইটস রিভিউ চেয়ারম্যান বরাবর। 

রিজিয়া বেগম জানান তাঁর নামে হোল্ডিং নং(৩২১৯) এর অধীনে খোলা মোরা গ্রামে ২.৫ কাঠা জমি পাকা বসত বাড়ি ছিল। যা তিনি বহু কষ্টে অর্জন করেন। বৃদ্ধা রিজিয়া বেগম দুই ছেলে দুই মেয়ের জননী। কয়েক বছর আগে অসুস্থ হয়ে পড়লে তা বড় মেয়ে নুরুন্নাহার চিকিৎসা সেবার নামে বিভিন্ন কাগজে সই নেয়। কিছু দিন পড়ে জানতে পায় বড় মেয়ে ও প্রবাসী ছোট মেয়ে ইয়াসমিনের নামে সম্পত্তি লিখে নিয়েছেন।যদি ও ছোট মেয়ে ইয়াসমিন দীর্ঘদিন যাবৎ দুবাইয়ে অবস্থান করছেন এবং এ বিষয়ে কিছু জানতেন না,এছাড়াও চিকিৎসার জন্য বড় ছেলে ইয়ার হোসেনের কাছ থেকে সাত ভরি স্বর্ন অলংকার নিয়ে নিজের কাছে রেখে দেন নুরুন্নাহার। যা ফেরত দেওয়া হয়নী।বর্তমানে বড় ছেলে ইয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে আছে রিজিয়া বেগম। বৃদ্ধার বড় ছেলে চিকিৎসা এবং ভরনপোষণের খরচ যোগাতে হিমসীম খাচ্ছেন।রিজিয়া বেগম বলেন, বাড়ি ভাড়া এবং গহনা ফেরত পাইলে চিকিৎসা ও খরচ যোগাতে কষ্ট হতোনা। এখন আমি বড় ছেলে ইয়ার হোসেন এর কাছে নির্ভরশীল। সে নিজেও পরিবার চালাতে পারছেনা। বৃদ্ধা রিজিয়া বেগম বলেন বাড়ির মালিকানা ও গহনা চাইতে গেলে গালি গালাজ এবং মেরে ফেলার হুমকি দেয়। অনেকের কাছে বিচার চেয়েও বিচার না পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।আইনের শাসনের প্রতি আস্থা রেখে সুবিচার কামনায় আইনী আশ্রয় চেয়েছেন। 

হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র আইন জীবি এডভোকেট সাইদুল হক সাইদ বলেন, বাংলাদেশ দন্ড বিধি ( Penal Cod 1860) অনুযায়ী ধারা ৪২০; প্রতারণা করে, আত্মসাৎ- শাস্তি যোগ্য অপরাধ। ধারা ৫০৬ ; হুমকি প্রদান ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য দণ্ডনীয়। Guardian and wards Act.1860;অসুস্থ বা বৃদ্ধা ব্যাক্তির অভিভাকত্ব ও সম্পত্তি রক্ষার আইনগত বিধান। হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ সাইদুল হক সাইদ বলেন, একজন মা যিনি সন্তানের জন্য নিজের জীবনের শেষ সময়টুকু উৎসর্গ করেছেন।তাঁকে এমন ভাবে প্রতারিত হতে দেখা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে আইনগত সহায়তা প্রদান করব। এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় সুবিচার নিশ্চিতের চেষ্টা করবো। মানবাধিকার ও ন্যায়ের সার্থে আমরা এই বৃদ্ধার পাশে আছি। বৃদ্ধার অভিযোগ একটি দুঃখ জনক পারিবারিক বাস্তবতার দৃষ্টান্ত।মানবিক ও আইন গত দৃষ্টি কোন থেকে এ ধরনের সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন। যাতে ভবিষ্যতে কেউ মা- কিংবা বাবাকে এভাবে ঠকাতে না পারে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর