
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সন্ত্রাস মানুষ হত্যা নির্যাতন গুম সবচেয়ে বড় দুর্নীতি # ১৬ জুলাই ২০২৪ আবু সাঈদকে প্রকাশ্য যেভাবে পুলিশ হত্যা করে সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরার সাথে সাথেই শিক্ষার্থী জনতা ঢাকাসহ দেশব্যাপী প্রতিবাদ প্রতিরোধে জেগে ওঠে! জনপথে নামে নারী পুরুষ শিশু বালক তরুণ যুবক শ্রমিক রিকসা ভ্যান গাড়ি ট্রাক চালক! গুটিকতক শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের দাবি কিন্তু তখন আর থাকেনি? গোটা বাংলাদেশ যেনো একটা জালিম খুনি দুর্নীতিবাজ সরকারের প্রতিপক্ষ হয়ে যায়। অঘোষিত একটা যুদ্ধ বেধে যায় খুনি সরকারের সাথে। সেনাবাহিনীর সদস্যরাও এক সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশের হত্যা নির্যাতনের বিপক্ষে। শিক্ষার্থী জনতার ন্যায্য আন্দোলনের পক্ষে গণঅভ্যুত্থানের পাশে ও সাথে যোগ দেয় সেনাবাহিনীর সদস্যরাও। বিভিন্ন দলের কর্মী সদস্যরাও ভেদাভেদ ভুলে খুনি দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগের সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় অংশ নেয়। প্রাণ হারায় শত শত! যা ইতিহাসের অনন্য দৃষ্টান্ত। ১৯৭১ সালে যেমন দেখেছি বাল্য বয়সে ( আমি তখন ৫ ম শ্রেণির চাত্র) ! গুটি কতক রাজাকার আলবদর জামাতে ইসলামির নেতা সদস্য ছাড়া কেউ খুনি গণহত্যাকারী ( ৩০ লাখ মানুষ) হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পক্ষে ছিলেন না সেদিন! সাড়ে ৭ কোটি জনতার মধ্যে ৭ কোটি ২৫ লাখ মানুষই সেদিন খুনি হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিপক্ষে ছিলেন। তেমনি ৩৬ জুলাই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে দেখলাম ১৮ কোটি জনতার মধ্যে প্রায় ১৬ কোটি মানুষই খুনি দুর্নীতিবাজ সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে! ১৬ জুলাই ২০২৫ সালে আবার গোপালগঞ্জে কি দেখলাম? এনসিপির সমাবেশে নগ্ণ সন্ত্রাসী হামালা? পুলিশ সেনাবাহিনীর গুলিতে ৪ জনহ নিহত? সেনাবাহিনীর সহায়তায় জুলাই ৩৬ গণঅভ্যুত্থানের সংগঠকদের ( এখন এনসিপির নেতা) নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ আর্মির সুররক্ষিত সাজোয়া গাড়িতে! আগেই বলেছি খুন সন্ত্রাস সবচেয়ে বড় দুর্নীতি! এই সন্ত্রাসী হামলাকে যেমন নিন্দা জানাই তেমনি যে ৪ জনকে গুলি করে হত্যা করা হলো সেটিরও নিন্দা জানাই। তাদেরকে অন্যায়ের জন্য সন্ত্রাসের জন্য আটক করে কঠিন শাস্তি দিলে আপত্তি ছিলো না! প্রশাসনের ব্যর্থতা পুলিশের ব্যর্থতার দায়ভার স্বীকার না করে গুলি করে হত্যা যা মানবিক বিবেককে নাড়া দেয়। যা সারা বিশ্বকে জানান দিচ্ছে এবং এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় নির্বাচন করাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে? জামাত নেতা তো পাটগ্রামের সন্ত্রাসকে কেন্দ্র করে বলেছে : কিসের নির্বাচন? দেশে মব সন্ত্রাস চলছে প্রায় প্রতিদিন। সোহাগ হত্যা যা দেশের ১৮ কোটি মানুষকে ব্যথিত করেছে! বর্বরতার জন্য! দেশজুড়ে চাঁদাবাজী চলছে। বিএনপির ৪ হাজার নেতা কর্মীকে বহিস্কার করা হয়েছে এজন্য! সরকার কি করেছে? এদের কজনকে আটক করেছে? শাস্তি দিয়েছে? আনি ১৯৮৬ সাল থেকে লিখে ও বলে আসছি : / দিন আসবেই দিন বদলের / বদলা নিতে বদ সকলের /– আমি আপনি যদি বদ খুনি জালিম হই তবে সেদিন কেউ কিন্তু রেহাই পাবো না? লাখ লাখ দুর্নীতিবাজ ঘুরে বেড়াচ্ছে? লাখ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে? উদ্ধার হয়েছে কি? খুনিরা আবার জনসভায় হামলা করেছে গোপালগঞ্জে? কি শাস্তি হবে তাদের দেখার অপেক্ষায় গোটা জাতি! আল্লাহ আমাদের সহায় হোন!